ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

"স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ"


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৮ মে, ২০২৫ সময় : ১১:২২ পিএম

আমি জানি, জীবন একটি বিস্ময়। সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে, যখন অন্য সবাই এখনও স্বপ্নের মাঝে ডুবে থাকে, আমি তখন আমার বইয়ের পাতা উল্টে যাচ্ছি। ভোর ৬টা—এটাই আমার শুরু। পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পড়া আর হোমওয়ার্ক আমার জন্য একরকম অদৃশ্য যুদ্ধ। একে একে সমস্যাগুলোর সমাধান করতে করতে দিন কাটে, কিন্তু স্বপ্ন—আমি সব সময় মনে রাখি। আমার স্বপ্ন শুধু ভালো ফলাফল বা অ্যাকাডেমিক সাফল্য নয়; আমার স্বপ্ন হলো—একদিন আমি জীবনের কঠিন প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজে পাবো।

স্কুলে যাওয়ার আগের সময়টুকু আমি শুধু কোচিং এবং পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ত। তবে আমি জানি, জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা শুধু বইয়ের পাতায় নয়—বইয়ের বাইরেও আছে। শিখো প্ল্যাটফর্মে অনলাইন ক্লাস, যেখানে আমি নতুন কিছু শিখি, কিছু নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হই। তবে আমার গল্প শুরু হয় অন্য জায়গা থেকে—৩ দিন আগে, ০২-০৫-২০২৫ থেকে ০৩-০৫-২০২৫ পর্যন্ত এক ট্রেনিং থেকে। সেখানে আমার দেখা হয়েছিল একজন বড় ভাইয়ের সঙ্গে। ভাইটা আমাকে বলেছিল,

"তুমি লেখো না? তোমার ভেতরে একটা গল্প থাকতে পারে, যা অন্যদের মনে আলোর মতো জ্বলে উঠবে।" এটাই ছিল আমার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মুহূর্ত। ছোট্ট একটি লেখা ভাইয়ের খুব পছন্দ হয়েছিল, আর সেই থেকেই শুরু হলো আমার লেখালেখি।

ভাইটা শুধু লেখালেখির প্রতি উৎসাহ দেয়নি—সে আমাকে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছিল। “তুমি ভালো কাজ করতে থাকো, খারাপ থেকে দূরে থাকো। তোমার সামনে অনেক পথ খোলা, অনেক কিছু অর্জন করার সুযোগ। জীবনকে পুরোপুরি মেনে নিয়ে, সাহস নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। আর লিখে যাও, কারণ তোমার শব্দগুলোই একদিন অন্যদের পথ দেখাবে।”

এছাড়া, আমি লাল সবুজ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত আছি, যার প্রতিষ্ঠাতা আমার সেই বড় ভাই, তাহসিন উদ্দীন। তার কাছ থেকে আমি শুধুমাত্র লেখালেখির উৎসাহ পাইনি, বরং জীবনের প্রতি একটা নতুন দৃষ্টিভঙ্গি পেয়েছি—যেখানে সমাজসেবারও একটা বড় জায়গা রয়েছে।

তবে লেখালেখির পর, আমার পৃথিবীটা কি বদলে গেল?

হ্যাঁ, বদলেছে—আর বদলাতে থাকবে। আমি এখন লিখে যাই, একাধিক গল্পের সমুদ্র খুঁজে চলেছি, যেখানে কল্পনার আকাশ এবং বাস্তবতার পৃথিবী মিশে থাকে। আমি জানি, আমার লেখা একদিন অন্যদের মনে আলো জ্বালাবে। আর এই লেখাই তো আমার অজানার সন্ধান। তারপর আবার দিন আসে—যতক্ষণ না ঘুমে চোখ জড়িয়ে আসে, আমি লিখতে থাকি। নিজের জীবনের কথা, নিজের অনুভূতির কথা, আর সেই সব মানুষদের কথা, যারা আমাকে শক্তি দেয়। আমার জীবনের প্রতি পদক্ষেপ যেন এক নতুন গল্প, এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা।

রাতে, যখন সবাই ঘুমোতে চলে, আমি তখনও আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবি। “আমার অজানা—কি, কোথায়, কিভাবে? সেই অজানাকে জানার জন্য আরও কত কিছু লিখতে হবে…” এভাবেই, আমি আমার নিদ্রাহীন রাতগুলোতে স্বপ্ন দেখি, নিজের ভেতর অজানা খুঁজে বের করার এক অসমাপ্ত যাত্রায়।

আকাশজমিন/আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর